দৈনিক সময়ের বার্তাঃ

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় প্রতিপক্ষের হামলায় এক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সহ ৬ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, রামকৃষ্ণপুর ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কামাল হোসেন (৬৬), তার বড় ছেলে হাবিবুর রহমান কাউসার (৩৮), ছোট ছেলে হাসিবুর রহমান কল্লোল (২৩), ৪নং ইউপি সদস্য মোঃ উজ্জ্বল হোসেন (৩৮), ইউপি সদস্য কুদ্দুস মিয়া, চেয়ারম্যানের আত্মীয় সারোয়ার টিপু (২৩)।

এলাকাবাসী তাদেরকে উদ্ধার করে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হরিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তবে এদের মধ্যে গুরুতর আহত হওয়ায় ৪নং ইউপি সদস্য মোঃ উজ্জ্বল ও চেয়ারম্যানের ছেলে কল্লোলকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বলেন, পদ্মা পাড় থেকে ফেরার পথে সামাজিক বিচারে যাবার সময় ইউনিয়ন পরিষদের সামনে তাদের উপর অতর্কিত হামলা হয়েছে। হামলাকারীদের মধ্যে মিজানুর রহমান তার বিরুদ্ধে ইউপি নির্বাচনও করেছেন বলেও জানান। মিজান, ইদ্রিস লাভলু ও লাল মিয়া, সাদ্দাম ও বুলবুলের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন হামলা করে। হামলাকারীরা পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

তবে মিজানুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতি করে আসছেন ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন। ইতিমধ্যে এসব অভিযোগে ভূক্তভোগী ইউনিয়নের মানুষ জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগও করেছেন। গতকাল ইউনিয়নের ভূক্তভোগী লোকজন মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করতে গেলে ইউপি চেয়ারম্যানের লোকজন ও ভূক্তভোগী লোকজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার সঙ্গে তাঁর এবং লাল মিয়া ও লাভলু মিয়া, সাদ্দাম, বুলবুলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

তবে ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন অনিয়ম-দুর্নীতি কথা অস্বীকার করে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন। হামলাকারীদের কেউ কেউ নির্বাচনকে সামনে রেখে ষড়যন্ত্র করছে।

হরিরামপুর থানার ওসি মুঈদ চৌধুরী জানান, হামলার ঘটনায় ১৪ জনের নামে মামলা হয়েছে। তবে আসামীরা পলাতক থাকায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.