রাইয়ান বিন আলম,(স্টাফ রিপোর্টার) দৈনিক সময়ের বার্তা:

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে বন্ধের মধ্যেও শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে অনলাইন শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ দেওয়া হয়েছে। অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনলাইন শিক্ষা শুরুও করেছে। কিন্তু অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষে ইন্টারনেটের ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। আজ সোমবার আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ-বিষয়ক উপকমিটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘বর্তমান বৈশ্বিক সংকটকালে শিক্ষা বিষয়ে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক অনলাইন সেমিনারে এসব কথা উঠে আসে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে বা স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট সুবিধার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয় সেমিনারে তিনি বলেছেন,” বৈশ্বিক মহামারী করোনার কারণে দীর্ঘদিন যাবত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শিক্ষা কার্যক্রমকে চালিয়ে নিতে আমরা অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করছি। ইতোমধ্যে অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার ক্ষেত্রে অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষেই ইন্টারনেটের ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট প্রদান অথবা স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ দেয়া যায় কিনা সে বিষয়ে মোবাইল অপারেটর কোম্পানি সমূহের সাথে আলোচনা চলছে।” শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, “প্রতিটি সংকটই আমাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে দেয়। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চাহিদা অনুযায়ী আমাদের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে হলে তথ্য ও প্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। তাই আমাদের হয়তো কিছুদিনের মধ্যে ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রমে যেতে হতো। করোনা আমাদেরকে এক্ষেত্রে এগিয়ে দিয়েছে। আমরা এখন অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমসহ অফিস-আদালতে বিভিন্ন মিটিং এবং দৈনন্দিন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে, সীমাবদ্ধ থাকবে। অল্প সময়ের মধ্যে আমরা সেই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠে নতুন এই বাস্তবতার সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠব। করোনা পরবর্তী সময়েও স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকবে।” শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এতে করে শিক্ষারও এক নতুন বিপ্লব ঘটবে এবং ইন্টারনেট জগতেও এক বিশাল পরিবর্তন আসবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.