মোঃ বাবুল মোস্তফা, দৈনিক সময়ের বার্তা, মাগুরা প্রতিনিধিঃ

করোনা মহামারিতে জনজীবন বিপন্ন, হতাশা ও শংকায় কাটছে দিন। তবুও কলা চাষীদের মুখে লাভের হাসি। মাগুরা জেলার মাগুরা সদর, শ্রীপুর, মহাম্মদপুর ও শালিখাসহ চার উপজেলায় হয়েছে কলার চাষ। ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে বাগানের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার পরও ধারণা করা হচ্ছে চলতি বছরে ৩৫ কোটি টাকার কলা বিক্রি করতে পারবেন কলা চাষিরা।

মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিন ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। মাগুরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্র মতে, এবার ৪টি উপজেলায় সর্বমোট ৭৫০ হেক্টর জমিতে কলার চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে মাগুরা সদরে ৩৮৫ হেক্টর, শ্রীপুরে ২৯৫ হেক্টর, মোহাম্মদপুরে ৪০ হেক্টর ও শালিখা উপজেলায় ৩০ হেক্টর জমিতে কলার চাষ করা হয়েছে।

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামের কলা চাষি রবিউল ইসলাম জানান, এবার ৩৩ শতাংশ জমিতে কলা চাষ করেছেন তিনি। গাছে অল্প কিছুদিনের মধ্যে কলা ধরবে। প্রতি শতাংশ জমিতে ৭টি করে মোট ৩৩ শতাংশ জমিতে ২৩১টি কলা গাছ লাগিয়েছেন। তার মোট খরচ হয়েছে ১৯ হাজার টাকা। ৪৫ থেকে ৬০ হাজার টাকার কলা বিক্রি করতে পাবেন বলে ধারণা করছেন তিনি।

মাগুরা সদরের আঠারোখাদা গ্রামের কৃষক একেন আলী বলেন, ‘আমি এবার এক একর জমিতে কলা চাষ করেছি। আমার মোট খরচ হয়েছে ৬০ হাজার টাকা। সব কিছু ঠিক থাকলে ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকার কলা বিক্রি করতে পারব।’মাগুরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন জানান, মাগুরা অঞ্চলের মাটি এবং আবহাওয়া দুটোই কলা চাষের জন্য উপযুক্ত। লাভ বেশি হওয়ায় বর্তমানে কলা চাষে ঝুঁকছেন চাষিরা। এ বছর কলার বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে ৩৫ কোটি টাকার কলা বিক্রি করতে পারবেন চাষিরা। সে লক্ষ্যে কৃষি অধিদপ্তর থেকে চাষিদের সঠিক পরামর্শসহ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.