দৈনিক সময়ের বার্তা, স্টাফ রিপোর্টারঃ

বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ মরহুম কর্ণেল (অবঃ) এম. এ মালেক, পি.এস.সি, মানিকগঞ্জের সদর উপজেলার গড়পাড়া ইউনিয়নের চান্দইর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৩৫ সালের পহেলা মার্চ জন্মগ্রহণ করেন।তিনি ২০০০ সালের ১৬ ই জুলাই তারিখ ভোর ৫টায় জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মানিকগঞ্জের এই কৃতিসন্তান মরহুম কর্ণেল এ মালেক এর ২০ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ডায়বেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সুলতানুল আজম খান আপেল স্মৃতিরচারণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানান।

তিনি কর্ণেল মালেক এর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, বিশাল মনের অধিকারী এ মহান ব্যক্তিত্বকে বলা হয় মানিকগঞ্জের উন্নয়নের রূপকার, যিনি মানিকগঞ্জের উন্নয়নে এবং গরীব, দুঃখী, অসহায়, দুঃস্থ মানুষের কল্যাণের জন্য নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। মানিকগঞ্জ জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করেন, মানিকগঞ্জ জেলার বাসীদের জন্য ব্যাপক হারে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেন, দেশের ক্রান্তিলগ্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, সাবেক মন্ত্রী ও অবিভক্ত ঢাকা সিটি মেয়র এবং তৎকালীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য, বিশিষ্ঠ শিল্পপতি দানবীর কর্নেল অবঃ আলহাজ্ব আব্দুল মালেক।এক কথায় বলতে গেলে মানিকগঞ্জের মানুষের কল্যাণে যা কিছু উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড হয়েছে তার সূচনা হয়েছে মরহুম এ মালেক এর হাত ধরে। মানিকগঞ্জ বাসীর প্রতি মরহুম এ মালেকের অবদান বলে শেষ করা যাবে না।

২০তম মৃত্যুবর্ষিকীতে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং তার পরিবারের সকলের সুস্থতা কামনা করছি, বিশেষ করে তার সুযোগ্য পুত্র মানিকগঞ্জের উন্নয়নের সফল রুপকার মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলহাজ্ব জাহিদ মালেক স্বপন এর দির্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.