দৈনিক সময়ের বার্তা, মোস্তাফিজুর রহমান
ঝিনাইদহ (প্রতিনিধি):

করোনা নিয়ে মানুষের মাঝে বিন্দু মাত্র মৃত্যুর কোন ভয় নেই. পরিবেশ দেখে বোঝার উপায় নেই ঝিনাইদহের উপর দিয়ে করোনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে. সরকারী বেসরকারী প্রচার প্রচারণায় মানুষ বদলায়নি। নির্বিঘ্নে ঘুরছে শহরে. আড্ডা দিচ্ছে চায়ের দোকানে. হাটে বাজারে উপচে পড়া ভীড়. কোথাও কোন সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে না. সব খানেই হযবরল দশা. এদিকে ঝিনাইদহবাসীর সামনেই ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনা ভাইরাসে। ঝিনাইদহের অনেক মানুষ ঢাকাসহ বিভিন্ন হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। সব মিলিয়ে ঝিনাইদহের ১৭/১৮ জন মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন. এ পর্যন্ত করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত ঝিনাইদহ ইসলামী ফাউন্ডেশন ২৫ জনের লাশ দাফন করেছেন। প্রতিদিন ৩০/৪০ জন করে আক্রান্ত হচ্ছে। দিনকে দিন শহর থেকে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ছে এই মরণঘাতি ভাইরাস. জেলা প্রশাসন, পুলিশ, র‌্যাব ও সেনাবাহিনী মানুষকে ঘরে থাকার জন্য নতুন নতুন কৌশল ও পরামর্শ দিচ্ছেন. কিন্তু তাদের সব কিছুই যেন বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরোর মতো. মানুষ কারো কথাই শুনছে না. প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে বাইরে বেরিয়ে ভীড় জমাচ্ছে। এদিকে ঝিনাইদহে নতুন করে ৩৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন. এর মধ্যে ঝিনাইদহ সদর থানায় (২২) জন. কালীগঞ্জে ৬. কোটচাঁদপুরে ৪ ও শৈলকুপা এবং হরিণাকুন্ডুতে একজন করে আক্রান্ত হয়েছেন। এই নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন (৬২১) জন. মোট সুস্থ হয়েছেন ১৯৮ জন। সুস্থ হওয়ার চেয়ে আক্রান্ত হওয়ার হার বেশি. নতুন করে আক্রান্ত এলাকা হচ্ছে ঝিনাইদহ শহরের উপশহরপাড়া. আরাপপুর. হামদহ. পাগলাকানাই. নিত্যানন্দপুর, পার্কপাড়া, ক্লিক মোড়, সিদ্দিকীয়া সড়ক, ব্যাপারীপাড়া শাপলা চত্বর, বাঘাযতিন সড়ক, সার্কিট হাউস, পুলিশ লাইনস ও পবহাটী। কালীগঞ্জের সুন্দরপুর, আড়পাড়া, কলেজপাড়া, ফয়লা ও উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র. শৈলকুপার ত্রীবেনি, হরিণাকুন্ডুর সড়াবাড়িয়া ও চাঁদপুর, কোটচাঁদপুরের মামুনশিয়া, তালসার, ভবানীপুর ও উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র. ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ও মূখপাত্র করোনা সেল ডাঃ প্রসেনজিৎ বিশ্বাস পার্থ তার ফেসবুক পেইজে করোনা আক্রান্ত ও মৃত ব্যক্তির তথ্য দিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.