দৈনিক সময়ের বার্ত, মাইনুল হাসান মোল্লা,বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ

প্যাথলজী বিভাগে জনবল ও পর্যাপ্ত রি-এজেন্ট সংকটে ব্লাড এবং রক্ত পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। বিকল রয়েছে রক্তের বায়ো ক্যামিক্যাল পরীক্ষার জন্য আটোএনালাইজার মেশিনটিও। ফলে গত এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় থেকে সারে তিন মাস যাবত রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

জানা গেছে, চাহিদাপত্র পাঠানোর পর ইতোমধ্যে রিএজেন্ট সরবরাহ করা হলেও তা পর্যাপ্ত নয়। প্যাথলজী বিভাগে মেডিকেল টেকনোলোজিষ্টের ৩টি পদ থাকলেও এর মধ্যে ১জনের পদ শূণ্য, ১ জন ডেপুটেশনে এবং কর্মরত টেকনোলোজিষ্ট (এমটিল্যাব) দুই সপ্তাহ ধরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে হোম করোন্টাইনে রয়েছে। এতে আরো মরার উপর খড়ার গায়ে পরিণত হয়েছে। ফলে ব্লাড ও রক্ত পরীক্ষার কাজ শুরু করা যাচ্ছেনা।

এদিকে হিমোগ্লোভিন পরীক্ষার জন্য এন/১০- হাইড্রোক্লোরিক এসিড সরবরাহ না করে এক ধরনের হিমোগ্লোভিন মিটার সরবরাহ করা হয়েছে। যা দিয়ে বর্তমানে এই পদ্ধতিতে হিমোগ্লোভিন পরীক্ষা করা হয়না বরং সাইন মেথোডে পরীক্ষা করা হয়। তাই সরবরাহকৃত হিমোগ্লোভিন মিটারটি কতটা কাজে আসবে বলার আপেক্ষা রাখেনা। পুরানো ওই মেথডে কাজ করতে হলেও যে ধরনের রিএজেন্ট প্রয়োজন তাও সরবরাহ করা হয়নি বরং ঠিকাদার ও উচ্চ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এসব সরবরাহ করা হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স্র সূত্রে জানা গেছে, সংকট দেখার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট এসব রি-এজেন্টের চাহিদা পত্র পাঠানো হয় কিন্ত করোনা মহামারীর কারনে নানা সংকটের ফলে দীর্ঘ দুই মাস পর তা সরবরাহ করা হয়। কিন্ত চাহিদাপত্র অনুযায়ী কিডনী পরীক্ষার ক্রিয়েটি নাইন ও প্রসাব পরীক্ষার এসিটিক এসিডসহ আজও পর্যাপ্ত রিএজেন্ট হাতে পৌছেনি। এসবের ফলে রোগীদের আরও বেশ কিছুদিন ভোগান্তির শিকার হতে হবে এমনই আশংকা করা হচ্ছে।

আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: রবীন্দ্র নাথ সরকার জানান, যেসব সংকট রয়েছে তার সমাধান করতে পারলে আগের ন্যায় প্যাথলজী বিভাগে ব্লাড এবং রক্ত পরীক্ষার কাজ পুরোদমে সচল করতে সক্ষম হবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.