সুজন চক্রবর্ত্রী, আসাম (ভারত) প্রতিনিধি :

দক্ষিণ হাইলাকান্দির উন্নয়ন খন্ডের জামিরা জিপির দামছড়া গ্রামে এক সাবসেন্টার নিমার্নে বরাদ্দ অর্থ আত্নসাতের ষড়যন্ত্র করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে কাটলিছড়ার বিধায়ক সুজাম উদ্দিন লস্কর ও তাঁর বড় ভাই নিজাম উদ্দিন লস্করের বিরুদ্ধে।জেলাশাসকের কাছে এই অভিযোগ জানিয়েছেন দক্ষিণ হাইলাকান্দি যুব মোর্চার প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক পার্থপ্রতিম সেন।অভিযোগটি পৌঁছেছে মুখ‍্যমন্ত্রী সবার্নন্দ সনোয়ালের কাছেও।শুক্রবার মেল যোগে পাঠানো অভিযোগটির মুখ‍্যমন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে আশ্বাস ও দিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।অভিযোগের প্রতিলিপি রাজ‍্যের স্বাস্থ‍্য ও শিক্ষা মন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মার দফতরেও পাঠানো হয়েছে মেল করে।তিনিও সদর্থক আশ্বাস দিয়েছেন।এই অভিযোগকে ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক আলোড়ন তুলতে পারে সে সম্ভাভনা প্রবল বলেও মনে করা হচ্ছে।যথাযথ তদন্ত হলে অনেক রাঘব বোয়াল জালে ধরা পড়বেন বলেও দাবি করেছেন পার্থপ্রতিম। দক্ষিণ হাইলাকান্দির দামছড়া গ্রামে একটি নতুন সাবসেন্টার তৈরির জন‍্য এমএসডিপি তহবিল থেকে সাড়ে ১১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়।কিন্তু বিধায়ক সুজাম উদ্দিন লস্কর পুরনো ভেঙ্গে পড়া সাবসেন্টারকে সংস্কার করে বরাদ্দ অর্থের সিংহ ভাগ হাপিস করার চক্রান্ত করছেন বলে পার্থপ্রতিম সেন অভিযোগ করেছেন।উপজাতি অধ‍্যুষিত ওই এলাকার মানুষকে প্রতারিত করা এবং সরকারি অর্থ আত্নসাতের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে ও পার্থপ্রতিমের অভিযোগ।শুধু তাই নয়, বিধায়ক সুজাম উদ্দিন তাঁর ভাই ইঞ্জিনিয়ার নিজাম উদ্দিন লস্করের সহায়তায় বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন তহবিলের অর্থ ভূয়ো প্রকল্পের মাধ্যমে হাপিস করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।নিজাম উদ্দিন সেচ বিভাগের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হলেও দীর্ঘদিন থেকে জেলা পরিষদ অফিসে ডেপুটেড রয়েছেন।লালা, কাটলিছড়া ও দক্ষিণ হাইলাকান্দি উন্নয়ন ব্লকের পঞ্চায়েত ও গ্রামান্নয়নের উন্নয়নমূলক কাজকর্মের তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।নিজের পদকে কাজে লাগিয়ে নিজাম উদ্দিন গ্রামোন্নয়নের বরাদ্দ অর্থের হরির লুট চালিয়ে যাচ্ছন বলেও পার্থপ্রতিমের অভিযোগ। তৎকালীন জেলাশাসক কীর্তি জল্লির কার্যকালে এনিয়ে অভিযোগ উখাপন করা হলে তিনি নিজাম উদ্দিন কে তাঁর মূল কর্মক্ষেত্র সেচ বিভাগের অফিসে কাজ করার জন‍্য নির্দেশ দেন। কিন্তু বিধায়কের বড় ভাই হওয়ার সুবাদে কীর্তি জল্লির সেই নির্দেশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে এখন পযর্ন্ত।যদিও নিজাম উদ্দিন লস্কর সরকারের নির্দেশ অনুযায়ীই জেলা পরিষদ অফিসে কাজ করছেন বলে দাবি করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.