আরিফ রববানী,(ময়মনসিংহ)

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার কানিহারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ানীলীগের সাধারন সম্পাদক জাতির জনকের আদর্শে গড়া উন্নয়নের কারিগর আশরাফ আলী উজ্জ্বল বলেছেন- অসহায়,গরীব দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন লড়াই করেছেন। তিনি দুর্ণীতি-অন্যায়ের কাছে কখনোই মাথা নত করেনি। জেল-জুলুম এবং অত্যাচার সহ্য করে তিনি বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি এক যুগেরও বেশি সময় কারাগারে অন্তরীণ ছিলেন। তিনি সমগ্র বিশ্বের নিপীড়িত, শোষিত ও অধিকার বঞ্চিত মানুষের অনুপ্রেরণার এক অনিঃশেষ উৎস। সারা জীবন কাজ করেছেন মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নের জন্য।স্বপ্ন দেখেছেন দুর্নীতি মুক্ত ডিজিটাল ও সুখী-সমৃৃদ্ধ সোনার বাংলা বাস্তবায়নে। কিন্তুু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাকে নৃশংস হত্যার মাধ্যমে খুনীরা সেই স্বপ্নকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেও তারই সুযোগ্য কন্যা বাংলার মহিয়সী নারী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সেই ডিজিটাল বাংলা বাস্তবায়ন হতে চলছে। সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা আজ আর কোন স্বপ্ন নয়-বাস্তব। ১৭ই আগষ্ট সকালে ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে মা ও শিশুদের কথা ভেবে “ভালো থাক মা ও শিশু “এই স্লোগান কে সামনে রেখে দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিশেষ বরাদ্দকৃত যত্ন প্রকল্পের আওতায় বরাদ্ধপ্রাপ্তির জন্য পোস্টাল ক্যাশ কার্ড “যত্ন “এর বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন কালে ৪নং কানিহারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আশরাফ আলী উজ্জ্বল উপস্থিত জনতার উদ্দ্যেশে এসব কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন-মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার পিতার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন “ডিজিটাল সোনার বাংলাদেশ” গড়ার জন্য দিনরাত পরিশ্রম যাচ্ছেন, তিনি যাতে সেই স্বপ্নের পুরোটা বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে পারে সে লক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন। চেয়ারম্যান আশরাফ আলী উজ্জ্বল বলেন,আমরা সবাই জাতির পিতার স্বপ্ন পুরণে আমাদের প্রিয় নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি, আমি বিশ্বাস করি এই” যত্ন ” কার্ডের মাধ্যমে আমাদের সমাজের মা ও শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূর করবে এবং ভালো থাকবে প্রতিটি মা ও শিশু। এসময় ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডর ভোক্তভোগী মা মোছা সালমা আক্তার বর্তমান সরকারের এই উদ্যোগকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন-আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীরকে কৃতজ্ঞতা জানাই এতসুন্দর একটি পরিকল্পনার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের মাঝে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকুক এই দোয়া করি। চেয়ারম্যান উজ্জ্বল বলেন-সেদিন বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা বেঁচে গিয়েছিলেন বলেই আজকে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে। বিচার হয়েছে যুদ্ধাপরাধের । কলঙ্কযুক্ত হয়েছে দেশ। আমরা বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বে সারা বিশ্বে আজ স্বমহিমায় মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পেরেছি। বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে এখন আর তলাবিহীন ঝুড়ি নয়, উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের রোল মডেল।তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা শারীরিকভাবে আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু রয়েছে তার আদর্শ তার কর্ম। আমরা তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ করেই জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ।। সে ক্ষেত্রে তিনি ইউনিয়নবাসীর সার্বিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.