মাইনুল হাসান মোল্লা, বরগুনা প্রতিনিধি

বরগুনা সদর উপজেলায় চারপাশে বেষ্টিত নদী। খেয়া-ফেরি ছাড়া জেলায় বা উপজেলা গুলোয় অথবা দূরপাল্লায় যাওয়া সম্ভব না। বর্তমানে খেয়া পার হতে যেমন করোনা ভাইরাসকে ইসু করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে-স্বাস্থ্যবিধি মেনে কম লোক উঠিয়ে ভাড়া বেশি নেয়া ঘোষণা ছিল কিন্তু বিপরিত দৃশ্য মানুষ যত পারে উঠিয়ে ভাড়া বেশি নিচ্ছে। তেমনি পাশের জেলা বা উপজেলায় যেতে অথবা দূরপাল্লার বাস/মিনি বাস/পিক আপ/বাইকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে, যত সিট আছে তা পূর্ণ করে চলছে যানবাহন। জনগণ এখন হিমসিম খেতে আছে। অনেক শ্রমিক এখনও কাজ করতে আগ্রহী থাকা সত্বেও মিলছেনা কাজ, জাতীয় অর্থনৈতক মন্দা থাকায়।গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত সড়কে গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়ার নৈরাজ্য চলছেই। কোনোভাবেই পরিবহন কর্মীদের বেশি ভাড়া নেয়া ঠেকানো যাচ্ছে না। শহরে লোকাল বাসের কর্মীরা যাত্রীদের কাছ থেকে প্রতিদিনই দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করছে। দাঁড়িয়েও যাত্রী বহন করা হচ্ছে। একই অবস্থা দেখা গেছে দূরপাল্লার বাসে। ৬০ শতাংশ বর্ধিত ভাড়া আদায়ের কথা থাকলেও পরিবহন কোম্পানিগুলো যাত্রীদের কাছ থেকে ৯০ শতাংশ আবার কেউ কেউ ১০০ শতাংশ বেশি ভাড়া আদায় করছে। ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় যাত্রীর সংখ্যা কমে গেছে। ইচ্ছেমতো বাড়তি ভাড়া আদায় করলেও স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে কেউ তোয়াক্কা করছে না। এদিকে বাসে বাড়তি ভাড়া আদায়, অতিরিক্ত যাত্রী বহন এবং স্বাস্থ্যবিধি না মানার বিষয়টি স্বীকার করে গণপরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের কঠোর সমালোচনা করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published.