বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ও উপসর্গ নিয়ে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে করোনায় নয়জন ও উপসর্গ নিয়ে পাঁচজন মারা গেছেন।

একই সময়ে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৭৭৩ জন।বুধবার (০৪ আগস্ট) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে নয়জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনায় আক্রান্ত হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া পাঁচজনের মধ্যে বরিশালে একজন, পটুয়াখালীর একজন, ভোলায় দু’জন ও ঝালকাঠিতে একজন রয়েছেন।

সব মিলিয়ে বরিশাল বিভাগে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯৯ জনে।

একই সময় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭৭৩ জন। এ নিয়ে বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৬ হাজার ১৪০ জনে। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ হাজার ৯৮০ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে বরিশাল জেলায় নতুন ৩৩৭ জন নিয়ে মোট ১৪ হাজার ৯৯৭ জন, পটুয়াখালীতে নতুন ৯৭ জন নিয়ে মোট ৪ হাজার ৮২২ জন, ভোলায় নতুন ১৮২ জনসহ মোট ৪ হাজার ৪১১ জন, পিরোজপুরে নতুন ৪৭ জনসহ মোট ৪ হাজার ৫৬৪ জন, বরগুনায় নতুন ৬৪ জন নিয়ে মোট ৩ হাজার ১৩৬ জন ও ঝালকাঠিতে নতুন ৪৬ জন নিয়ে মোট ৪ হাজার ২২০ জন রয়েছেন।

এদিকে, শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালকের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে নয়জনের মৃত্যু হয়েছে।

যা নিয়ে শুধু শেবাচিম হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডেই উপসর্গ নিয়ে ৮১৪ জন এবং করোনা ওয়ার্ডে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৩৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করা ৮১৪ জনের মধ্যে ৪৯ জনের কোভিড টেস্টের রিপোর্ট এখনও হাতে পাওয়া যায়নি।

ওই হাসপাতাল পরিচালক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার) সকাল পর্যন্ত শেবাচিমের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৪০ জন ও করোনা ওয়ার্ডে ১৩ জন ভর্তি হয়েছেন। করোনা ও আইসোলেশন ওয়ার্ডে এখন ৩৪৯ জন চিকিৎসাধীন।

তাদের মধ্যে ১২৪ জন করোনা ওয়ার্ডে এবং ২২৫ জন আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। আরটি পিসিআর ল্যাবে মোট ১৮৮ জন করোনা পরীক্ষা করান। এর মধ্যে ৩৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ পজিটিভ শনাক্তের হার।

এদিকে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে অক্সিজেন সংকট, আইসিইউ সংকট এবং চিকিৎসকদের সময় মতো না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন স্বজনরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.