হাসান আহমেদ, বরিশাল ব্যুরো চিফঃ


বরিশাল জেলাধীন সদর উপজেলার আলহাজ্ব আবদুল মজিদ খান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর ৪৬ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও শোক দিবস পালন করেন।

শোকাবহ ১৫ ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধুর শাহাদৎ বার্ষিকীর এই অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়াও শিক্ষার্থীদের স্বাস্হবিধি মেনে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে রচনা, বঙ্গবন্ধুর চিত্র অঙ্কন ও কবিতা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্হিত ছিলেন আলহাজ্ব আবদুল মজিদ খান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব এস এম গোলাম মোস্তফা, ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ, এছাড়াও উপস্হিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সকল সহকারী শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ।


শাহাদাৎ বার্ষিকীর এই অনুষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক বলেন, আজ শোকাবহ ১৫ ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু দিবস। জাতীয় জীবনে ১৯৭৫ এর ১৫ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধুসহ তার স্বপরিবারকে একদল কুচক্রী মহল নির্মমভাবে হত্যার মধ্য দিয়ে যে নির্মমতার পরিচয় দিয়েছে তা সত্যিই দুঃখজনক। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্টের এই দিনটিকে একটি শোকাবহ দিবস হিসেবে পরিগণিত করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা প্রতিবছর বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সাথে এ দিবসটিকে যথাযোগ্য ভাবে পালন তিনি বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের নিহত সকল সদস্যের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।


এছাড়াও সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন হাসান আহমেদ। তিনি শিক্ষার্থীদের বলেন, তোমরা যদি সঠিক দেশপ্রেমী ও নিজেকে পরিপূর্ন মানুষ হিসেবে গড়তে চাও তাহলে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন অনুসরনও অনুকরন করো। আজকে এই দিনটি হলো বাঙালি জাতির জন্য কলঙ্কময় অধ্যায়। যা সারা বিশ্বে বাঙালি জাতিকে লজ্জিত ও ঘৃনিত করেছে।
তিনি আরও শিক্ষার্থীদের আরও বলেন, তোমরা আজকের এই শোককে শক্তিতে পরিনত করে নিজেদের জীবনকে সুন্দর ও প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে। বঙ্গবন্ধুর যোগ্য উত্তরসূরী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালি করে সারা বিশ্বে নিজেদের বুদ্ধিবৃত্তি ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে একটি সুন্দর ও উন্নত দেশের মানুষ হিসেবে রোল মডেল তৈরী করার চেষ্টা করবে।

শিক্ষার্থীদে মধ্যে অনেকেই কবিতা আবৃত্তি ও বক্তব্য প্রদান করে বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর জীবনী সম্পর্কিত বই পুরস্কার হিসেবে প্রদান করা হয়।


পরিশেষে মুফতি মোঃ বেলাল হোসেনের পরিচালনায় বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবার ও আত্মীয় স্বজন যারা ১৯৭৫ সালে আজকের এই দিনে শহীদ হয়েছেন তাদের জন্য দোয়া, মিলাদ অনুষ্ঠান করা হয় এবং তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.