বরিশাল ব্যুরো চিফঃ

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি( কামরুজ্জামান গ্রুপ) বরিশাল আঞ্চলিক শাখার কার্যনির্বাহী পরিষদের এক বর্ধিত সভা ১ লা সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং রোজ বুধবার সকাল ১০ টায় বরিশাল খেয়ালি গ্রুপ থিয়েটার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।


 উক্ত বর্ধিত সভাটি  আঞ্চলিক শাখার সাধারন সম্পাদক সঞ্জয় কুমার  খানের পরিচালনায় এবং সংগঠনের  সিনিয়র সহ সভাপতি জনাব  মোঃ ইসাহাক সাহেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়,  উক্ত সভায় সংগঠনের প্রয়াত জনাব আব্দুল খালেক ও সাধারন সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হকের মৃত্যুতে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয় এবং তাদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

সভায় আঞ্চলিক কমিটির সকল জেলা,  উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ ও কার্যনির্বাহী  পরিষদের সদস্যবৃন্দ প্রায় দুইশত শিক্ষকের উপস্হিতিতে বর্ধিত সভায় আলোচ্য বিষয়ের উপর আলোচনা করা হয়।উক্ত সভায় বক্তব্য রাখেন,সংগঠনের বাবুগঞ্জ উপজেলার সভাপতি আবু জাফর মোঃ সালেহ, স্বরুপকাঠী উপজেলার সভাপতি নির্মল চন্দ্র ঢালী, কাউখালি উপজেলার সভাপতি কিরন চন্দ্র মন্ডল, বানারীপাড়া উপজেলার সভাপতি মোঃ আবু বকর সিদ্দিক, নাজির পুর উপজেলার সভাপতি জনাব অসিত কুমার মল্লিক,কাঠালিয়া উপজেলার সভাপতি জনাব সুশীল চন্দ্র মিস্ত্রী, উজিরপুর উপজেলার সভাপতি মোঃ জহিরুল ইসলাম,হিজলা উপজেলার সভাপতি জনাব প্রেমজি লাল দাস,ভান্ডারিয়া উপজেলা সভাপতি  সত্যরঞ্জন রায়, পিরোজপুর সদর উপজেলার সভাপতি স্বপন চক্রবর্তী,বরিশাল আঞ্চলিক শাখার যুগ্ম সম্পাদক জনাব এ.কে.এম জামাল, সহ সভাপতি  মোঃ হারুন অর রশিদ,সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব মোসলেম উদ্দিন তালুকদার, ঝালকাঠী জেলার সাধারন সম্পাদক মোঃ মাহতাব উদ্দিন।বর্ধিত সভায় আলোচনা শেষে নিম্ন লিখিত সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।সিদ্ধান্তসমূহঃ১/ বরিশাল আঞ্চলিক শাখার প্রয়াত সভাপতি জনাব আব্দুল খালেক ও সাধারন সম্পাদক জনাব মোজাম্মেল হকের শূন্য পদে সর্বসম্মতিক্রমে আঞ্চলিক শাখার সভাপতি পদে জনাব মোঃ ইসহাক এবং সাধারন সম্পাদক পদে জনাব সঞ্জয় কুমার খান নির্বাচিত করে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।২/ করোনা পরবর্তী স্বাভাবিক পরিস্হিতি বিরাজ করার তিন মাসের মধ্যে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র জনাব সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ মহোদয়কে প্রধান অতিথী করে আঞ্চলিক শাখার ত্রি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।৩/ত্রি-বার্ষিক  সম্মেলন সম্পন্ন করার জন্য ১৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়।৪/শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়ন, শিক্ষকদের চাকুরী নিরাপত্তা, শিক্ষা অফিসের বিভিন্ন অনিয়ম, দূর্নীতি, শিক্ষকদের অন্যান্য ভাতা ও কল্যান ট্রাস্টের হয়রানি বন্ধ করে সরকারী শিক্ষকদের ন্যায়,বদলী, পূর্নাঙ্গ উৎসব ভাতা, মেডিকেল ভাতা,পূর্নাঙ্গ পেনশনের ব্যবস্হা করা, ম্যানেজিং কমিটির হয়রানি বন্ধ করা এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে শিক্ষক সংগঠনগুলোর ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে জাতীয় স্বার্থে বৃহত্তর শিক্ষক ঐক্য গড়ার মধ্য দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্হা জাতীয়করনের চূড়ান্ত আন্দোলন সামিল হওয়ার জন্য সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

আপনার মতামত লিখুন