ফারজানা খান লিয়া, মানিকগঞ্জ:

গত ৩ সেপ্টেম্বর দৈনিক সময়ের বার্তা (dailysomoyerbarta.news) নামক একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে “শৈশব পেরিয়ে কৈশরে পা রাখলেও মানসিক প্রতিবন্ধী সংগীতা বঞ্চিত তার প্রতিবন্ধী ভাতা থেকে“ শিরোনামে মানিকগঞ্জ পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের সুইপার কলোনির পাশের রবিদাস পাড়ায় এক হত দরিদ্র পরিবারে জন্মনেয়া ভাতা বঞ্চিত মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোরী সংগীতা রানীদাস (২২) এর জন্য মানবিক সহায়তা চেয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সংবাদটি প্রকাশের সাথে সাথে অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক ঐ সংবাদটি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয়  ছাত্র সংসদ (ডাকসু)র সাবেক সাধারণ সম্পাদক মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিত সাবেক ছাত্রনেতা গোলাম রাব্বানীর নিকট তুলে ধরেন।মানবতার ফেরিয়ালা গোলাম রাব্বানী মানবিকতার ডাকে সারা দিয়ে তৎক্ষনাত বিশেষ চাহিদা সম্পূর্ণ কিশোরী সংগীতা রানির পাশে দাড়ান।

তিনি সংবাদটি দেখার পর সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রশাসন ও https://www.facebook.com/groups/TeamPositiveBangladesh – TPB এর অন্যতম মানবিক সদস্য, সাফায়েত হোসাইন এর সাথে কথা বলেন এবং পরবর্তীতে সাফায়েত হোসেন দায়িত্ব নিয়ে স্থানীয় সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে দুই দিনের মধ্যে সংগীতার প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করেন।

উল্লেক্ষ্য, মানবিক গুনে গুনান্তিত সর্বমহলে সমানভাবে জনপ্রিয় সাবেক এই ছাত্রনেতা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার লক্ষ্য নিয়ে সততা, মানবিকতা ও ন্যায়ের পক্ষে এই  স্লোগানে দির্ঘদিন যাবৎ ইতিবাচক, মানবিক ও সামাজিক কাজের সার্বজনীন প্লাটফর্ম টিম পজেটিভ বাংলাদেশ (TPB) নামের একটি সামাজিক সহযোগীতা মূলক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।আর এই সংগঠনটির মাধ্যমে রাব্বানী সারাদেশে লক্ষাধিক তরুন স্বেচ্ছাসেবীদের দ্বারা অসহায় হতদরিদ্র সামাজিক ভাবে অনগ্রসর গোষ্টির পাশে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রেখেছেন।করোনা কালীন মানবিক বিপযয়ে রব্বানী টিম পজেটিভ এর ব্যনারে সারাদেশে অশংখ্য মানুষের  ঘরে খাদ্য সহায়তা সহ অর্থিক সহায়তা দিয়েছেন।শুধু করোনা নয় ঝড় কিংবা বন্যা বলতে গেলে বিগত দুই বছর যাবৎ দেশের যে কোন প্রান্তে যে কোন মানবিক বিপযয়ে টিম পজেটিব তার সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে। আসলে বলতে গেলে টিম পজেটিভ এর ইতিবাচক কাযক্রমের কথা তালিকা ধরে বলতে গেলে শেষ করা যাবেনা।

সংগীতার পাশে রাব্বানীর মানবিক অবস্থান সর্ম্পকে দৈনিক সময়ের বার্তার সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ নাহিদুল ইসলাম হৃদয় বলেন, গোলাম রাব্বানী ভাই একজন অসাধারণ মানবিক মানুষ, আমি ব্যক্তিগত ভাবে যতটুকু দেখেছি মানুষের বিপদ দেখলে রাব্বানী ভাই পাগলের মত ছুটে যায়। নিজে স্বশরীরে ভুক্তগেীর নিকট পৌছুতে না পাড়লে তার টিম পজেটিভ এর স্বেচ্ছাসেবীদের পাঠিয়ে যেখানে যতটুকু দরকার ঠিকততটুকু সহায়তা করার চেষ্টা করেন। আমি ব্যক্তিগত ভাবে রাব্বানী ভাইয়ের নিকট কৃতজ্ঞতা জানাই সংগীতার মত একটি অসহায় মানসিক প্রতিবন্ধীর পাশে দাড়িরে ওর ভাতার ব্যাবস্থাটা করে দেয়ার জন্য।

সংগীতার ব্যপারে গোলাম রাব্বানী বলেন,  গত ৩ তারিখ একটি অনলাইন পত্রিকায় সংগীতার ব্যপারটি জানতে পারি, সেখানে দেখলাম মেয়েটির পরিবার দির্ঘদিন যাবৎ অনেক মানুষের কাছে গেছেন, একাধিকবার ছবি ও আইডির ফটোকপি নিয়ে আশ্বাস দিয়েও কেউ ভাতার কার্ড করে দেয়া নাই। এমতাবস্থায় আমি সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রশাসন ও Team Positive Bangladesh – TPB এর অন্যতম মানবিক সদস্য, সাফায়েত ভাইয়ের সাথে কথা বলি। আলহামদুলিল্লাহ, ভাই দায়িত্ব নিয়ে স্থানীয় সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে দুই দিনের মধ্যে সংগীতার প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করেছেন। ইনশাআল্লাহ, এখন থেকে প্রতিবন্ধী মেয়েটি নিয়মিত ভাতা পাবে।

দির্ঘদিন পরে মেয়ের জন্য ভাতার কার্ড পেয়ে সংগীতার পিতা দ্বীলিপ রবিদাস এবং মাতা রেশমি রানী দাস অনেক উচ্ছসিত। মেয়ের  জন্য ভাতার কার্ড কয়ে দেয়ায় গোলাম রাব্বানী এবং  সাফায়েত হোসেন সহ টিম পজেটিভ পরিবারের নিকট কৃতজ্ঞতা প্র্কাশ করে জানায়, আমরা গরিব মানুষ মাইয়াডারে নিয়া এতদিন অনেক কষ্ট করছি ববহুত মাইনসের কাছে গেছি, কত চিয়ারমেন মেম্বর গেল কেউ আমার মেয়াডারে একটা ভাতার কাড কইরা দেয় নাই, এক সাংবাদিক ভাই হেদিন আমার মেয়েরে দেইখা জিগাইছিল ওরে নিয়া কেমনে থাকি কি করি তহন তার কাছে সব কইলাম, এর পরেই দেহি হটাৎ কইরা আমার বাড়ি লোক আইসা আমার মেয়ার লিগা ভাতার কাড কইরা দিল।আমি জীবনেও কোন দিন এই ঋণ শুধ করবার পারুম না।আমি হেগো লিগা মন থিকা অনেক দুয়া করি।

আপনার মতামত লিখুন