রাম বসাক, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জঃ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় শীত মৌসুমের শুরুতেই বাড়ছে গরম কাপড়ের চাহিদা ।পৌর বাজার সহ ফুটপাতে বাড়ছে হকারদের ব্যস্ততা। গরম কাপড় বিক্রির হাঁকডাক ফুটপাত, হকার মার্কেট থেকে শুরু করে অভিজাত বিপণি কেন্দ্রেও চাদর, কম্বল, সুয়েটার, জ্যাকেট, মাফলার, ব্লেজার, ক্যাপ, হাত ও পায়ের মোজাসহ, হরেক কাপড়ের সমাহার। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শাহজাদপুর উপজেলার পৌর বাজারের মার্কেটে আমদানি করা কাপড়ের বেচাকেনা শুরু হয়েছে ।শাহজাদপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও দোকান গুলোতে দেশি-বিদেশি গরম কাপড়ে ঠাসা। অভিজাত বিপণি কেন্দ্র গুলোতেও হাল ফ্যাশনের বর্ণিল সব গরম কাপড় শোভা পাচ্ছে, বাড়ছে কেনাকাটাও। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সেখানে হরেক রকমের গরম কাপড়ের। ব্যবসায়ীরা জানান কেনাবেচা বেশ জমে উঠছে। প্রতিটি দোকানে দেশি-বিদেশি কাপড়ের প্রচুর মজুদ রয়েছে। ক্রেতারা দেখে-শুনে পছন্দের কাপড়টি কিনে নিচ্ছেন । সেখানে তরুণদের জন্য নানা আইটেম রয়েছে ব্লেজার, কোট, সুয়েটার আর হরেক রকমের মাফলারও। শীত নিবারনের পাশাপাশি আধুনিতকার ছোঁয়াও রয়েছে এসব গরম কাপড়ে। দামও নাগালের মধ্যে বলে জানান ক্রেতারা।বিক্রেতরা জানান, গেল কয়েক বছর গরম কাপড় মজুদ করে তাদের লোকশান গুনতে হয়েছে। কারণ তেমন বেশি শীত পড়েনি, বেচা হয়নি গরম কাপড়ও। এবার শুরুতে শীত একটু বাড়ায় কেনাকাটা বাড়বে বলে মনে করছেন তারা। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল আশে পাশের ফুটপাতে চলছে গরম কাপড়ের বেচাকেনা। নানা শ্রেণি পেশার মানুষ সেখান থেকে পছন্দের কাপড় কিনে নিচ্ছেন। কমদামেও মিলছে নানান ধরনের পোশাক বিক্রেতারা ক্রেতাদের আকর্ষণে দিচ্ছেন নানা হাঁকডাক। ২০ টাকা, ৩০ টাকা ও ৪০ টাকা হাঁকিয়ে, পৌর বাজারে হকাররা শিশুদের বিভিন্ন সাইজের কাপড় বিক্রি করছে। এ সময় অভিভাবকদের জটলা দেখা যায় শিশুদের কাপড় সংগ্রহ করতে। ক্রেতা যত বাড়ে ততই বিক্রেতাদের হাঁকডাক বেড়ে যায়। শহরের রাস্তা ঘাটে জমেছে গরম কাপড়ের বিকিকিনি এছাড়া শাহজাদপুর উপজেলার বিভিন্ন ফুটপাতে চলছে গরম কাপড়ের বিকিকিনি,এবং, সুয়েটার, জ্যাকেট, বেজার, কম্বলসহ সব ধরনের শীতের কাপড় পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষ এখন গরম কাপড় সংগ্রহ করতে ফুটপাতের দোকান গুলোতে ভিড় করছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে লোকজন এখন শাহজাদপুরে আসছে শীতের কাপড় সংগ্রহ করতে। সুয়েটার ২শ থেকে ৩শ টাকা, জ্যাকেট ৪শ থেকে দেড় হাজার টাকা, বেজার ৫শ থেকে হারাই হাজার থেকে তিন হাজার পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ী মোঃ ফরিদউদ্দিন জানান এখন গরম কাপড়ের বেচাকেনা মাত্র শুরু হয়েছে। পুরোদমে শীত শুরু হলে বিক্রি বাড়তে থাকবে।শাহজাদপুরে বিভিন্ন অলিগলিতে ও ভ্যানগাড়িতে বিক্রি হচ্ছে গরম কাপড়। উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ব্যবসায়ীরা পাইকারি দরে কাপড় কিনে নিয়ে যায়। ব্যবসায়ীরা জানায়, একসময় বিদেশ থেকে পুরাতন কাপড় আমদানি করে গরম কাপড়ের চাহিদা মেটানো হতো। তবে এখন দেশেও গরম কাপড় তৈরি হচ্ছে। শীত আসার আগেই ব্যবসায়ীরা দেশি-বিদেশি কাপড়ের মজুদ গড়ে তোলে, এখন পাইকারি বেচাকেনা প্রায় মার্কেটে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতা সমাগম লেগে আছে। বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ বিশেষ করে তরুণ-তরুণী ও গৃহিনীরা পছন্দের কাপড় কিনতে ভিড় করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.