মোঃ আশরাফুল ইসলাম,মানিকগঞ্জঃ

মানিকগঞ্জে সদর উপজেলার আসন্ন ৬নং কৃষ্ণপুর  ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন বর্তমান সফল চেয়ারম্যান ও নেীকা প্রতীকে চেয়ারম্যান প্রার্থী বিপ্লব হোসেন সেলিম।

নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন, মোটর সাইকেল প্রতীকে  স্বতন্ত্র প্রর্থী আবদুল হামিদ (চান্দু দারোগা) ও জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে আনোয়ার হোসেন।

নির্বাচনী প্রচারণার খোঁজে  সরজমিনে কৃষ্ণপুর ইউনিয়নে গিয়ে সাধারণ নাগরিকদের সাথে কথা বলে দেখা যায় তরুন, দক্ষ,শিক্ষিত,মেধাবী, পরোপকারী,ন্যায়-নিষ্ঠাবান ও যোগ্য প্রার্থী হিসেবে ইউনিয়ন বাসীর আস্থার কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছেন বিপ্লব হোসেন সেলিম।

এলাকার জনগণ বলছেন বিগত বছরে ইউনিয়নে যে পরিমান উন্নয়ন হয়েছে তা আগে কখনো হয়নি।জনগনের বিপদেআপদে কিংবা যে কোন কাজে ডাকলেই তার পাশে পেয়েছেন বিপ্লব  হোসেন সেলিমকে

খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজে সরকারি সহযোগিতার পাশাপাশি নিজ উদ্যোগে  সাহায্য সহযোগিতা করেছেন এই জনপ্রতিনিধি।তাই আগামী নির্বাচনে আবারও বিপ্লব হোসেনকেই চেয়ারম্যান হিসেবে চায় ইউনিয়নবাসী

সাধারন নাগরিকরা বলছেন,আমাদের ইউনিয়নের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ বিপ্লব হোসেন সেলিমের পক্ষে একত্রিত হয়ে মাঠে নেমেছে।আমারা আশাবাদী ২৮ তারিখ নির্বাচনে আমরা জয় ছিনিয়ে আনবো ইনশাআল্লাহ

মাঠ পর্যায়ে ভোটারদের সাথে আলোচনায় উঠে এসেছে, ইউনিয়নের প্রায় অধিকাংশ ভোটারগণ বিপ্লব হোসেন সেলিমের কাজে সন্তুষ্ঠ। তাই এবারও তারা তাকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে ইচ্ছুক

আর তাই নৌকাকে বিজয়ী করতে প্রচারণার মাঠে আওয়ামী লীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ,কৃষক লীগ সহ অঙ্গ সংগঠনের কর্মী ও নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি ইউনিয়নের সকল শ্রেণীপেশার মানুষই বিপ্লব হোসেন সেলিমের সাথে নিজ নিজ উদ্যোগেই যৌথ ভাবে কাজ করছে।

আর তাদের নির্বাচনী প্রচারণায় উৎসাহ ও দিকনির্দেশনা মূলক পরামর্শ দিতে দিন-রাত এক করে নির্বাচনী মাঠে সময় দিচ্ছেন উক্ত ইউনিয়নের সাবেক সফল চেয়ারম্যান,পূর্বাঞ্চলের গণমানুষের নেতা মরহুম জালালউদ্দিন আহমেদের ছেলে , বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য জনাব খালেদ মাসুদ আহমেদ।  

বিপ্লব হোসেন সেলিমদৈনিক সময়ের বার্তা’কে বলেন, “আমি বিগত বছরে আমার ইউনিয়নে প্রতিশ্রুতির প্রায় ৮০ ভাগ কাজ সম্পূর্ণ করেছি। সরকারি সহায়তার পাশাপাশি ব্যক্তিগত অর্থায়নে ইউনিয়নের উন্নয়নের জন্য কাজ করেছি।আমাকে যখনি কেউ ডেকেছে তখনি তাদের পাশে গিয়ে দাড়ানোর চেষ্টা করেছি। আর একারনেই আমার ইউনিয়নের জনগন আমাকে অসম্ভব ভালোবাসে। আমি মনে করি আমার এই নির্বাচনটা সম্পূর্ণই আমার ইউনিয়নের সাধারণ জনগনের নির্বাচন।আমার ইউনিয়নের সাধারণ মানুষই আমার ভরসা

মহান আল্লাহর মেহেরবানি জনগণের ভোটে আমি যদি আসন্ন নির্বাচনে পূনঃরায় নির্বাচিত হই তাহলে, আমার ইউনিয়নের অসমাপ্ত ২০ ভাগ কাজ শেষ করে নতুন ভাবে আরো অনেক কাজ করবো।পাশাপাশি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা  যে রূপকল্প দিয়েছেন ক্ষুধা মুক্ত, দারিদ্র্য মুক্ত উন্নত সোনার বাংলা গড়ার সে লক্ষ্যে কাজ করে যাবো। তার সাথে বাল্য বিবাহ রোধ সহ দেশের ভবিষ্যৎ যুব সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে মাদক ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের কাছে সোপার্দ করবো।বিভিন্ন সামাজিক সচেতনতা মূলক কর্মসূচি গ্রহণ করবো।স্বজনপ্রীতি উৎখাত করে ইউনিয়নে আসা সকল প্রকার সরকারী ভাতাগুলো ওয়ার্ড প্রতিনিধিদের মাধ্যমে  উপযুক্ত লোকদের মাঝে বন্টন করে দিব। জনগণের সাথে সু-সম্পর্ক রাখবো। সুখেদুঃখে সবসময় জনগণের পাশে থাকবো , যা আমি পূর্বেও ছিলাম।বিশেষ করে এই ইউনিযনের তরুণ সমাজের প্রতি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবো ইনশাল্লাহ।

তাই ২৮ নভেম্বর নির্বাচনে সকল ভোটারদের কাছে নেীকা প্রতীকে ভোট ও সর্বসাধারনের দোয়া কামনা করছি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published.